খেলাধুলা

বালোগুনের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত, ফিফাকে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প

অনলাইন নিউজ ডেস্ক

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে বেলজিয়ামের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বড় স্বস্তির খবর পেয়েছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করায় ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনকে দলে পাচ্ছে তারা। ফিফার এ সিদ্ধান্তের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শেষ ৩২-এর ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে ২-০ গোলে হারানোর পথে সরাসরি লাল কার্ড দেখেছিলেন বালোগুন। প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার তারিক মুহারেমোভিচের ডান গোড়ালিতে স্টাড লাগায় তাকে মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন রেফারি। সে অনুযায়ী শেষ ষোলোর ম্যাচে তার খেলার সুযোগ ছিল না।

তবে রোববার (৫ জুলাই) ফিফা জানায়, শৃঙ্খলা বিধির ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বালোগুনের এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা এক বছরের পরীক্ষামূলক সময়ের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।

ফিফা আরও জানায়, আগামী এক বছরের মধ্যে একই ধরনের গুরুতর অপরাধ করলে এই স্থগিতাদেশ বাতিল হবে। সে ক্ষেত্রে আগের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি নতুন অপরাধের জন্যও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। সংস্থাটির শৃঙ্খলা বিষয়ক বিচারিক বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো শাস্তি আংশিক বা সম্পূর্ণ স্থগিত রাখার ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রয়েছে।

ফিফার ঘোষণার পরপরই ট্রুথ সোশ্যালে প্রতিক্রিয়া জানান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি লেখেন, ‘সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং একটি বড় অন্যায়ের সংশোধন করায় ফিফাকে ধন্যবাদ।’

ফিফার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ইউএস সকারও। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ‘শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্তকে আমরা সম্মান জানাই। বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচে ফোলারিন বালোগুনকে পাওয়া আমাদের জন্য অবশ্যই ইতিবাচক খবর।’

২৫ বছর বয়সী বালোগুন লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত নিয়ে আগেই নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তার দাবি, ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত ছিল না এবং সেখানে সর্বোচ্চ হলুদ কার্ডই প্রাপ্য ছিল।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘ওই মুহূর্তে পা সরানোর কোনো সুযোগ ছিল না। ঘটনাটি অনেকটাই অনিবার্য ছিল। বিভিন্ন মতামত দেখেছি, কিন্তু আমার বিশ্বাস, হলুদ কার্ডই যথাযথ সিদ্ধান্ত হতো। তবে যা হয়েছে, সেটি মেনে নিয়েই সামনে এগোতে হবে।’

এদিকে ফিফার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি বেলজিয়াম শিবির।

চলতি বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে দারুণ ছন্দে রয়েছেন বালোগুন। চার ম্যাচে তিন গোল করার পাশাপাশি দুইবার ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন তিনি। আর একটি গোল করলেই ১৯৩০ সালের বিশ্বকাপে বার্ট প্যাটেনাউডের গড়া এক আসরে যুক্তরাষ্ট্রের পুরুষ ফুটবলারের সর্বোচ্চ তিন গোলের রেকর্ডে ভাগ বসাবেন এই স্ট্রাইকার।

নারী ও পুরুষ—উভয় বিভাগের বিশ্বকাপ মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে এক আসরে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এখনো সাবেক তারকা মিশেল অ্যাকার্সের দখলে। তিনি ১৯৯১ সালের প্রথম নারী বিশ্বকাপে ১০ গোল করেছিলেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button